Pages

Sunday, August 4, 2013

Cell Phone Radiation Protection: 10 Tips





The 10 Cell Phone Radiation Protection Tips:
1. Use the speakerphone. The cell phone radiation drops exponentially by distance. So the further away the phone is from your head, the better.
2. Limit use to essential calls and keep calls short. Even a two-minute call has been found to alter the natural electrical activity of the brain for up to an hour afterwards.
3. Children should be allowed to use the cell phone in cases of emergency only. Because of their developing skulls, the radiation can penetrate much more deeply.
4: Use an Air Tube Headset (not regular wired headset). Research has shown that regular wired headset could transmit radiation into the ear canal.
5: Don't put the cell phone in your pocket or belt while in use or while it is on. Men who wear cell phones near their groin could have their sperm count dropped by as much as 30 percent, study shows.
6: If using phone without a headset, wait for the call to connect before placing phone next to the ear. Radiation level is higher while phone is still trying to make a connection.
7: Do not use the cell phone in enclosed metal spaces such as vehicles or elevators. Phones need more power to make connection; the metal enclosure also traps the radiation and reflects it back at the occupants.
8: Do not make a call when the signal strength is one bar or less. The phone must work harder to establish a connection and thus emits more radiation.
9: Buy a phone with low radiation rating (low radiation cell phones). The phone's SAR (Specific Absorption Rate) can be found in manual. The lower the SAR value from FCC limit of 1.6 W/kg, the better.
10: Use scientifically proven cell phone radiation reducing or protection device.

Additional cell phone radiation protection tips:
Take nutritional supplements, particularly anti-oxidants SOD, catalase, glutathione, and Coq10. Microwave radiation has been shown to decrease levels of these anti-oxidants in the body. These are substances the body produces to protect itself, and their levels are sensitive indicators in stress, aging, infections and various other disease states. Other supplements you may need are:
- Melatonin: a powerful anti-oxidant noted to prevent DNA breaks in brain cells. Also effective in preventing kidney damage from cell phones;
- Zinc: protects the eye from oxidative damage and helps preserve the levels of anti-oxidants in the blood;
- Gingko Biloba: an herb considered a powerful anti-oxidant which prevents oxidative damage in the brain, eye and kidney. Also helps support the production of SOD, catalase and glutathione;
- Bilberry extract: preserves vision and reduces oxidative damage to the eyes.

Friday, August 2, 2013

মোবাইল ফোনেই হজ গাইড

মোবাইল ফোনেই হজ গাইড

Saturday, July 20, 2013

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করার উপায়

 মোবাইল ফোনের মাধ্যমেট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করার উপায়


 
ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করা যেতে পারে রেল স্টেশনের বুথ থেকে। ঢাকা এবং আশেপাশের রেল স্টেশনগুলো হল নারায়ণগঞ্জ, গেন্ডারিয়া, কমলাপুর, তেজগাঁও, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, টঙ্গী এবং জয়দেবপুর। এর মধ্যে নারায়ণঞ্জ এবং গেন্ডারিয়া রেল স্টেশন ছাড়া অন্য রেল স্টেশনগুলোয় কম্পিউটারাইজড ডাটাবেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে টিকেট বিক্রি করা হয়। ফলে যেকোন গন্তব্যের টিকেট কাটা যায় এসব স্টেশন থেকে।
 
বুথগুলোয় সাধারণত ভিড় লেগেই থাকে। ভিড় এড়ানোর জন্য ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহ করা যায় এখন। মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক এবং গ্রামীনফোনের গ্রাহকগণ নিজের মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই টিকেট সংগ্রহ করতে পারেন। কিংবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন কোম্পানীর গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে যে কেউ টিকেট সংগ্রহ করতে পারে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর একটি নম্বর এসএমএস আকারে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায়। এটি দেখিয়ে ভ্রমণের আগে ফোন কোম্পানীর গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বা রেল স্টেশন থেকে প্রিন্ট আউট নিতে হয়।
 
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যেতে পারে রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট ফোন কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে।

যোগাযোগ

কমলাপুর
০২-৯৩৫৮৬৩৪
০২-৮৩১৫৮৫৭
০২-৯৩৩১৮২২
০১৭১১-৬৯১৬১২
বিমানবন্দর
০২-৮৯২৪২৩৯
ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd

সাধারণ কিছু নিয়ম:

  • টিকেট হস্তান্তর যোগ্য নয়।
  • তিন থেকে বারো বছরের ছেলেমেয়েদের জন্য অপ্রাপ্ত বয়স্ক টিকেট কেনা বাধ্যতামূলক।
  • বিনা মাশুলে যাত্রীর সংগে বহনযোগ্য ব্যবহার্য সামগ্রীঃ এসি-৫৬ কেজি, প্রথম শ্রেণী-৩৭.৫ কেজি, শোভন-২৮ কেজি, সুলভ/দ্বিতীয় শ্রেণী-২৩ কেজি।
  • বিশেষ কারণবশত যাত্রাকালে কোচ/সীট নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে।
  • আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য ৩ দিন আগে সীট রিজার্ভেশনসহ টিকেট কেনা যায়।
  • টিকেট কাউন্টারের ডিসপ্লে-তে খালি আসন ও ভাড়া ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য জানার সুবিধা রয়েছে।
  • টিকেট প্রাপ্তির ব্যাপারে যাত্রীগণ প্রয়োজনে তৎক্ষণিকভাবে আন্তঃনগর ট্রেন বিরতি ষ্টেশনসমূহের বুকিং কাউন্টারের সামনে লিখিত মোবাইল নম্বরে সংশ্লিষ্ট রেল কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।


টিকেট ফেরত দেয়া

ট্রেন ছাড়ার ৪৮ ঘন্টা পূর্বে ফেরত দিলে সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর ক্লারিকেল চার্জ কর্তন সাপেক্ষে পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হয়।
 
সময়
কমিশন
৪৮ ঘন্টা পূর্বে
৪ টাকা
২৪ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে
২০%
১২ থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে
৩০%
৬ ঘন্টা থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে
৪০%
৩ ঘন্টা থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে
৫০%
ট্রেন ছাড়ার ৩ ঘন্টার কম সময়ের মধ্যে টিকেটের মূল্য ফেরত পাওয়া যায় না।

 
 

ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট


সম্প্রতি ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট কাটার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে স্বল্প পরিসরে এ ব্যবস্থা চালু করা হলেও শীঘ্রই এ সেবা বিস্তৃত করা হবে বলে জানাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ।
ইন্টারনেটে টিকেট কাটতে হলে প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে  হবে। এরপর ই-মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত গন্তব্যের টিকেট বেছে নিয়ে ভিসা বা মাস্টারকার্ড সমর্থিত ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করার পর গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এটির প্রিন্ট নিয়ে ট্রেন ছাড়ার ১৫ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত হতে হবে; ২০ টাকা অতিরিক্ত মাশুল দিতে হবে এজন্য।
টিকেট কাটার বিস্তারিত:
রেলওয়ের ওয়েবসাইটে (www.railway.gov.bd) গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:
নতুন ব্যবহারকারী হলে ‘সাইন আপ’-এ ক্লিক করতে হবে।  এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:
প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরমটি পুরণ করতে হবে। সঠিকভাবে ফরমটি পূরণ করা হলে গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় একটি এক্টিভেশন লিংঙ্ক পাঠানো হবে। যেটির চিত্র অনেকটা এরকম:
এই এক্টিভেশন লিংকে ক্লিক করার পরই কেবল গ্রাহকের একাউন্ট চালু হবে।
এরপর আবার রেলওয়ের ওয়েবসাইট (www.railway.gov.bd) এ গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এখানে ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড দিয়ে নিজের একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:
এখান থেকে ‘পারচেজ টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:
এখানে ড্রপ ডাউন বক্সগুলো থেকে  নির্বাচন কাজ সম্পন্ন করে ‘সার্চ’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। আসন খালি থাকলে টিকেটের মূল্য এবং সার্ভিস চার্জ জানিয়ে সম্মতি চাওয়া হবে। সম্মতি দেবার পর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:
ভিসা, মাস্টার কার্ড বা ব্র্যাক ব্যাংক এই তিন ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকেটের মূল্য পরিশোধ করা যায়। এখান থেকে প্রয়োজনীয় পদ্ধতি বেছে নেবার পর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:
এবার কার্ডের তথ্য দিয়ে টিকেট কাটার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এরপর গ্রাহককে সেটির প্রিন্ট কপি, মোবাইল ফোন (যে নম্বরটি তার একাউন্টে দেয়া আছে), ক্রেডিট কার্ড (যেটি ব্যবহার করে টিকেট কেনা হয়েছে) ইত্যাদি প্রদর্শন করে যাত্রার ১৫ মিনিট আগে টিকেটের মূল কপি সংগ্রহ করতে হবে।
অন্যান্য তথ্য:

  • প্রাথমিকভাবে কেবল বাংলাদেশী নাগরিকগণ ইন্টারনেটে টিকেট কাটার সুবিধা পাচ্ছেন।
  • একজন ব্যক্তি একসাথে সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কাটতে পারেন।
  • যাত্রার সর্বোচ্চ তিন দিন আগের টিকেট কাটা সম্ভব।
  • ইন্টারনেটে টিকেট কাটার জন্য ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়।


 
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট কাটা

একটি নম্বর থেকে এক দিনে কেবল একটি টিকেট কাটা যায় আর এক টিকেটে সর্বোচ্চ ৪ জনের টিকেট কাটা যায়। অগ্রীম টিকেট কাটা যায় তবে সর্বোচ্চ ৩ দিন আগের টিকেট কাটা যায়। প্রতি সিটের জন্য ভ্যাটসহ ২০ টাকা চার্জ দিতে হয়। গ্রাহক সেবা কেন্দ্র থেকে টিকেট কাটার জন্য যে স্টেশন থেকে যাত্রা করা হবে সে স্টেশনের নাম, গন্তব্যে স্টেশন, যাত্রার তারিখ, ভ্রমণ শ্রেণী, টিকেটের সংখ্যা, ভ্রমণকারীর ফোন নম্বর  ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হয়।
গ্রাহক নিজে টিকেট সংগ্রহ করতে চাইলে আগে তাকে গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় অংকের টিকেট ব্যালেন্স নিতে হয় বা ওয়ালেট রিফিল করতে হয়। ওয়ালেট রিফিল কনফার্ম করার জন্য yes এর পর একটি স্পেস দিয়ে কাস্টমার পিন লিখে 480 নম্বরে sms পাঠাতে হয়।
যেমন- yes <space> 2468.
2468 এক্ষেত্রে কাস্টমার পিন।
 
টিকেট কাটার জন্য
*131# ডায়াল করতে হয় এরপর পিন নম্বর চাইলে পিন নম্বর দেয়ার পর ‘1’ চেপে টিকেট কাটার অপশন নির্বাচন করতে হবে। তারপর ভ্রমন তারিখ জানতে চাইবে। ভ্রমণ তারিখ দেবার পর যে স্টেশন থেকে যাত্রা করা হবে সেটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর গন্তব্য স্টেশন জানতে চাইবে। গন্তব্য স্টেশনের প্রথম তিন অক্ষর টাইপ করতে হবে। গন্তব্য স্টেশন নির্বাচন করার পর ঐ তিন অদ্যক্ষরের স্টেশনগুলোর একটি তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে স্টেশন নির্বাচন করতে হবে। যেমন- chi দিলে Chittagong এবং chisti_road পাওয়া যাবে। স্টেশন নির্বাচন করার পর ট্রেনের একটি তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে ট্রেন নির্বাচন করতে হবে। এরপর কোন শ্রেনীতে ভ্রমণ করা হবে সেটি নির্বাচন করতে হবে। তার পর একটি তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে পুরুষ, মহিলা, শিশু এবং যাত্রী সংখ্যা নির্বাচন করতে হয়। এরপর টিকেটের মূল্য জানিয়ে নিশ্চিত করনের জন্য একটি মেন্যু আসবে। সেখান থেকে নিশ্চিতকরণের পর পিন নম্বর প্রদান করতে হয়। তারপর txnid পাওয়া যাবে। সেটি দেখিয়ে প্রিন্ট আউট নিতে হয়।
 

বাংলালিংকের ওয়েবসাইট- www.banglalinkgsm.com


গ্রামীণফোনের ওয়েবসাইট- www.grameenphone.com

Thursday, March 28, 2013

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের দাম, লেটেস্ট মডেল, ফীচার, রিভিউ দেখে নিন অনলাইনে

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের দাম, লেটেস্ট মডেল, ফীচার, রিভিউ দেখে নিন অনলাইনে

টিউন করেছেন : spyridon 

 

মোবাইল ফোন কেনার আগে মোবাইল ফোন সম্পর্কে জানা অত্যাবশ্যক। শুধু কেনার জন্যই নয় বরং বর্তমান স্মার্টফোনের যুগে লেটেস্ট মোবাইল ফোন মডেলগুলোতে কি কি নতুন ফিচারস যোগ করা হলো, ব্যবহারকারীর মন্তব্য ইত্যাদি সম্পর্কে জানাটাও একটা চরম আগ্রহের বস্তু হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের চাহিদা যেকোনো উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর চেয়ে কম নয়। দেশের ১৬ কোটি মানুষের একটা বড় অংশ মোবাইল ফোন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।
যে জিনিসটাকে আপনি আপনার নিত্যদিনের সঙ্গী হিসেবে বেছে নিবেন তার সম্পর্কে জানা জরুরি। মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে জানা জরুরি যে -
  • আপনার বাজেটের মধ্যে কোন ব্রান্ডের কোন মডেল বাজারে পাওয়া যাবে,
  • ফোনটি সম্পর্কে ব্যবহারকারী বা জনগনের মতামত কি,
  • ফোনের  স্পেসিফিকেশন বা ফীচার কি কি
  • কোন মডেলগুলো বর্তমানে জনপ্রিয়
ইত্যাদি।
তথ্য যুগে এসকল তথ্য আপনি ঘরে বসেই জেনে নিতে পারবেন। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে সাফল্যের সাথে এগিয়ে চলছে। বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে আপনি পেতে পারেন বাংলাদেশে মোবাইল ফোন সম্পর্কে আপনার কাঙ্খিত তথ্যাবলি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ওয়েবসাইট হচ্ছে mobiledokan.com. সাইটটি আমার এতই পছন্দ যে এটা সম্পর্কে দুএকটি কথা আপনাদের না বললেই নয়। এখানে মোবাইল ফোন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যাবলী নির্ভুল এবং চমৎকারভাবে সাজানো হয়েছে। ওয়েবসাইটির ডিজাইনও খুবই মানসম্মত। সাইটের উপরে সার্চ বক্সে মোবাইল ফোন মডেলের নাম ইংরেজিতে টাইপ করে পেয়ে যাবেন সকল তথ্য। আশা করি আমার দেয়া তথ্য আপনাদের উপকারে আসব।

 

Tuesday, March 26, 2013

মোবাইল ফোনের সুরক্ষা: চুরিরোধে করণীয়

মোবাইল ফোনের সুরক্ষা: চুরিরোধে করণীয়


মোবাইল ফোনের ব্যবহার এখন আর কোনো ধরনের শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং সব ধরনের মানুষের হাতেই রয়েছে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে একে নিয়ে দুশ্চিন্তাও বেড়েছে। মোবাইল ফোনের সাধারণ কিছু সুরক্ষার কথা তুলে ধরা হলো এই লেখায়। 
# অনেক সময়ই মোবাইল ফোন হঠাৎ করে পানিতে পড়ে যায়। এই ধরনের পরিস্থিতিতে মাথা গরম না করে যত দ্রুত সম্ভব তা পানি থেকে তুলে ফেলুন। সাধারণত মোবাইল ফোনের প্লাষ্টিক কাভারটি এতো শক্তভাবে আটকানো থাকে যে ২০ সেকেন্ডের কম সময়ে এতে সহজে পানি ঢুকে না। সেটটি পানি থেকে তোলার পর কাভারটি খুলে ব্যাটারিটি বের করে নিন এবং ফোনে সিম বা রিম থাকলে তা দ্রুত খুলে ফেলুন ফোন থেকে। তাপ প্রয়োগ ছাড়াই সেটটিকে শুকিয়ে নিন। এ ক্ষেত্রে হেয়ার ড্রায়ার একটি ভালো উপকরণ হতে পারে। তারপর টিস্যু দিয়ে হালকা করে সেটের বিভিন্ন অংশ যত দ্রুতসম্ভব মুছে নিন। বেশ লম্বা সময় অপেক্ষা করে যখন মনে হবে সেটটি পরিষ্কার হয়েছে এবং শুকিয়ে গেছে তখন হ্যান্ডসেটটির কাভার এবং ব্যাটারি পুনঃস্থাপন করে চালু করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এরপর সেটটি আগের মতোই কাজ করবে। খেয়াল রাখবেন, হ্যান্ডসেট শুকানোর সময় কখনওই যেন বেশি তাপ না লাগে। 
# শুধু পানিতে পড়া নয়, সেটটি হাত থেকে বা বেশ উপর থেকে পড়ে গেলে সাথে সাথে সেটটি বন্ধ করুন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চালু করুন। 
# যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাদের সতর্ক থাকতে হবে ভাইরাস এবং অন্যান্য আক্রমণ থেকে। এ কারণে স্মার্টফোনে ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা প্রয়োজন সবসময়। ইদানিং শীর্ষস্থানীয় অ্যান্টিভাইরাস প্রস্তুতকারকদের প্রায় সকলেই মোবাইলের জন্য সিকিউরিটি প্রদান করে থাকে। এগুলোর দামও বেশি নয়। আমাদের দেশেও এখন এগুলো সহজলভ্য। কাজেই নিজের নিরাপত্তার খাতিরে ভালো সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। 
# ফোনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে সতর্ক হোন। স্মার্টফোন ব্যবহারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকই হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন। তবে অ্যাপ্লিকেশনের ছদ্মবেশে ফোনে ম্যালওয়্যার ঢুকে যেতে পারে, যা আপনার তথ্যগুলো হাতিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট। কাজেই উৎস বিশ্বস্ত না হলে অ্যাপ্লিকেশন, তা যত ভালোই হোক, ইন্সটল না করাই ভালো। 
# মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার সাথেসাথেই আপনার নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারকে খবর দিয়ে ফোন লক করে দিন। তা হলে সিম পাল্টানোর পরও কেউ ফোনটি ব্যবহার করতে পারবে না। 
## নিজের ফোনের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য নিজের কাছে রেখে দিতে হবে। এসব তথ্যের মধ্যে ফোনের মডেল এবং পিন নম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর সাথে ফোনের সিরিয়াল নম্বর বা আইএমইআই নম্বরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তোমার ফোনের সিরিয়াল নম্বর বা আইএমইআই নম্বর জেনে সেটি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। 
# নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারের কাছে গিয়ে ফোন রেজিস্টার করে রাখা প্রয়োজন। তা হলে চুরি হলে ফোন লক করা সহজ হবে। 
# ব্যক্তিগত যোগাযোগের নম্বরগুলো সিম কার্ডে সেভ করে রাখলে ভালো হয়। ফোন চুরি হয়ে গেলে ফোন থেকে নম্বর সংগ্রহ করা গেলেও সিম লক হয়ে গেলে সিম থেকে নম্বর চুরি করা যাবে না। 
# গাড়ির জানালা খোলা অবস্থায় ড্যাশবোর্ডে ফোন রাখা যাবে না। 
# রাস্তায় হাঁটার সময় মোবাইল ফোন হাতে থাকলে সাবধানে ধরে রাখতে হবে। 
# বাসে চলাচলের সময় জানালার পাশে হাত রেখে মোবাইল ধরে না রাখাই ভালো। ছিনতাইকারীরা কিন্তু তক্কে তক্কেই থাকে। 
# কি প্যাড ছাড়াও ফোন লক করে রাখা ভালো। এ ক্ষেত্রে ফোন চুরি যাওয়ার পর কেউ যদি লক খুলেও ফেলে, তা হলেও ফোনে থাকা সব যোগাযোগ নম্বর ডিলিট হয়ে যাবে। 
# ফোন চুরি যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্ভিস প্রোভাইডার অর্থাৎ মোবাইল অপারেটর এবং পুলিশকে খবর দেওয়া উচিত। কারণ আপনার চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অনেকেই অনেক অনাকাক্সিক্ষত কাজ করে ফেলতে পারে, যার দায় পড়বে আপনার উপরেই। কাজেই এসব বিষয়ে সাবধান থাকা জরুরি। অপারেটর একবার ফোন লক করে দিলে আর সেই ফোন অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। 
# অনেকেই ফোনের সিরিয়াল নম্বর জানেন না এবং কী করে এটা জানতে হয়, সেটাও জানেন না। * ০৬  নম্বর ফোনের কি প্যাডে টাইপ করলে মোবাইল স্ক্রিনে ১৫ ডিজিটের একটা নম্বর দেখা যাবে। কোনও কোনও মোবাইল থেকে নম্বরটা ডায়ালও করতে হতে পারে। মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে এই ১৫ ডিজিটের নম্বরটা জানা থাকলে, পুলিশের সাহায্যে সহজেই মোবাইলটির অবস্থান জানা যাবে। 



মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার সাথেসাথেই আপনার নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারকে খবর দিয়ে ফোন নিষ্ক্রিয় করে দিন। চুরি হওয়া মোবাইলকে কিভাবে নিষ্ক্রিয় করবেন?: আপনার মোবাইলের সিরিয়াল নম্বর চেক করতে কীপ্যাডে টাইপ করুন *#০৬#। একটি ১৫ সংখ্যার কোড আসবে। এই নম্বরটি আপনার মোবাইলের নিজস্ব পরিচয়। এটি লিখে কোনো নিরাপদ স্থানে রাখুন। যদি আপনার মোবাইল চুরি হয়ে যায়, আপনার মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডারকে কল করে এই কোডটি দিন। তারা তখন আপনার হ্যান্ডসেটটি ব্লক করতে সক্ষম হবে। সুতরাং চোর যদি আপনার সিম কার্ড বদলায়ও, আপনার মোবাইল অব্যবহারযোগ্য হয়ে পড়বে। আপনি হয়ত আপনার মোবাইল আর ফেরত পাবেন না, কিন্তু আপনি এ ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন যেই আপনার মোবাইল চুরি করেছে সেও এটি আর ব্যবহার করতে পারবে না। এভাবে যদি সবাই চলে, তাহলে কেউই কারো মোবাইল আর চুরি করবে না।

Source: http://www.howto.techzoom24.com
 

আপনার মোবাইল ফোনটি জলে ভিজলে যা করবেন

আপনার মোবাইল ফোনটি জলে ভিজলে যা করবেন

 

বতমান যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া কারো এক মুহুর্ত চলে না। এটা আমরা সবাই জানি যে, মোবাইল ফোনের  প্রধান শত্রু  হচ্ছে জল। তাই আমাদের মোবাইল ফোনটিকে সবসময়ই জল থেকে দূরে রাখতে হয়। কিন্তু তারপরেও যদি পরেই যায় তবে যা করবেন।
index
তা নিম্নরূপ:
১. মোবাইল ফোনটি যত দ্রুত সম্ভব জল থেকে তুলে ফেলুন। হালকাভাবে মোবাইলটির নানান অংশ টিস্যু দিয়ে মুছবেন। জল মোছার জন্য টিস্যু পেপার বা সুতির কাপড় ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত ঝাঁকাবেন না। তাহলে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অংশেও জল ঢুকে যেতে পারে।
২. মোবাইল ফোনের ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপের একটি। ফোনের অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে পারে, যদি আপনি এর শক্তির উৎস (ব্যাটারি) বিচ্ছিন্ন করে দেন।
৩. সিমকার্ডটি খুলে ফেলুন। এতে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি থাকতে পারে। কার্ডটি খুলে শুকিয়ে এক পাশে রেখে দিন।
৪. মোবাইল ফোনের খাপ ও অন্যান্য বাড়তি জিনিসগুলোও আলাদা করে রাখুন।
৫. মোবাইল ফোনটি ভালোভাবে শুকোন। ব্যাটারি খুলে অভ্যন্তরীণ অংশ শুকিয়ে নিন যতটুকু পারা যায়। শুকানোর জন্য অতিরিক্ত তাপমাত্রা প্রয়োগ করবেন না।
৬. ফোনের ভেতরের কিছু অংশে আপনি বিশেষভাবে তাপ দিতে পারেন। যেমন টেবিল ল্যাম্পের সাহায্যে।
৭. সম্ভব হলে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন। আপনার ফোনের বিভিন্ন অংশের মধ্য থেকে একদম ছোট্ট জল বিন্দুও টেনে বের করতে সাহায্য করবে।
৮. ফোনটি শুকাতে চাল ব্যবহার করুন। শুকনো চাল খুব ভালো কাজ করে থাকে। এক রাতের জন্য চালের মধ্যে আপনার ফোনটি রেখে দিন। এটা করলে ফোনে এক কণা জলও অবশিষ্ট থাকবে না।
৯. সম্ভব হলে মোবাইল ফোনের সব অংশ খুলে শুকনো জায়গায় রাখুন।
১০. এখন ফোনটি পরীক্ষা করুন। ভালোভাবে পরিষ্কার করে ব্যাটারি ও সিমকার্ড লাগিয়ে ফোনটি চালু করুন।
১১. শুকানোর পরেও যদি ফোনটি চালু না হয়, আপনি একে পুরোপুরি খুলতে পারেন (যদি আপনার প্রাথমিক ধারণা থেকে থাকে), এর কেসিং এবং অন্যান্য সব অংশ।
১২. সাবধানতার সঙ্গে খুলে টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে ফেলুন। আবার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন।
১৩. ফোনটিকে ভেজা অবস্থায় ফেলে রাখবেন না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুকাতে শুরু করুন। ফোনটি কোনোভাবেই শুকানোর আগে চালু করার চেষ্টা করবেন না। এতে শর্টসার্কিট হয়ে পুরো ফোনটিই বাতিল হয়ে যাবে।
১৪. ব্যাটারিটি অতিরিক্ত তাপ থেকে দূরে রাখুন। খুব সহজেই আগুন লেগে যেতে পারে।
ধন্যবাদ

Source: http://www.techbengal.com

 

Monday, March 25, 2013

ফোন চুরি ঠেকাবেন যেভাবে

ফোন চুরি ঠেকাবেন যেভাবে

ইদানিং ফোন চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আপনার সামান্য অসতর্কতাতেই চুরি বা ছিনতাই হয়ে যেতে পারে আপনার প্রিয় ও মূল্যবান স্মার্টফোনটি। এ ধরনের ঘটনায় কী করণীয় তার কিছু সহজ উপায় নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোন চুরির ঘটনা ঠেকাতে ব্যবহারকারীকে সতর্ক হতে হবে পাশাপাশি হতে হবে চোরের চেয়েও স্মার্ট।

ডলফিনের মতো সজাগ থাকুন 

ডলফিন ঘুমানোর সময় এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়, অর্থাত্ আকস্মিক কোনো বিপদ বা আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সতর্ক হয়ে থাকে। মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীকেও নির্জন পথে বা বিপদজনক এলাকায় হাঁটার সময় চোখ-কান খোলা রেখেই চলতে হবে। কোনো রেঁস্তোরার টেবিলে, চা-কফির দোকানে মোবাইল ফোন ফেলে রাখবেন না। দামী স্মার্টফোন দেখিয়ে ব্যবহার করবেন না।

ফোন লক করে রাখুন
মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার পর সাধারণত চোর সে ফোনটি বন্ধ করে দেয় এবং ফোনটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে খুব কম সময়ে মুঠোফোন উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে যায়। তাই স্মার্টফোনের হোম স্ক্রিন লক করে রাখুন। এতে কিছুটা হলেও তথ্য মুছতে বেগ পেতে হবে।

মুঠোফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে রাখুন
মুঠোফোনের মডেল নম্বর, সিরিয়াল নম্বর, আইএমইআই নম্বর টুকে রাখুন।  ফোন চুরি হলে এ তথ্যগুলো পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে কাজে লাগবে। মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর জানতে ‘স্টার হ্যাস ০৬ হ্যাস’ ডায়াল করুন। ব্যাটারির নীচে মুঠোফোনের লেবেলে আইএমইআই ও সিরিয়াল নম্বর থাকে।

ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার
যদি চুরি যাওয়া মুঠোফোন চালু হয় তবে ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন কাজ করে। সাধারণত চুরির পরপরই চোর সে মুঠোফোন বন্ধ করে দেয় এবং ফোন চালু করার আগে ট্র্যাকিং প্রযুক্তিকে বিভ্রান্ত করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তারপরও সতর্কতার জন্য বিভিন্ন ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে রাখতে পারেন। আইফোনের জন্য বিনামূল্যের ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ‘হোয়ার ইজ মাই ড্রয়েড’, ‘লুকআউট’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন।  অ্যাপ্লিকেশন স্টোরে দূর থেকে মোবাইল লক করে দেওয়ার অ্যাপ্লিকেশন পাবেন।

সর্বশেষ ফোন একটু দেরিতে কিনুন
অনেক ক্ষেত্রে সর্বশেষ বাজারে আসা স্মার্টফোন কেনার কারণে চোর বা ছিনতাইকারীর লক্ষে পরিণত হয়ে যান। কিন্তু সহজলভ্য স্মার্টফোনে চোরের আগ্রহ থাকে কম।

ফোন চুরি হয়ে গেলে করণীয়
দ্রুত আপনার মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে সিম কার্ড বন্ধ করতে জানিয়ে দিন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আপনার মোবাইল চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনা জানান।

Source: http://www.prothom-alo.com

 

Related Link:

মোবাইল ফোনের সুরক্ষা: চুরিরোধে করণীয়