মুসলিম দাতব্য সংস্থা
-
https://islamicrelief.org.bd/
মুসলিম দাতব্য সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ ১০এ
কায়রো থেকে অন ইসলাম : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ ১০টি দাতব্য সংস্থার মধ্যে
এক...
Tuesday, February 26, 2013
পুরোনো মোবাইল ফোন কেনার আগে কি কি বিষয় দেখে নেয়া উচিত
Wednesday, February 20, 2013
মোবাইল ফোন ও রিংটোন: শরয়ি আহকাম
মোবাইল ফোন ও রিংটোন: শরয়ি আহকাম
- মুহাম্মাদ মুফিজুল ইসলাম
আজকাল অনেককে রিংটোন হিসেবে আজান, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির ইত্যাদি ব্যবহার করতে দেখা যায়। দীনদার ও ধার্মিক শ্রেণীর লোকদের দ্বারাই এ কাজটি সাধারণত বেশি হয়। আমার মনে হয়, তারা এ কাজটি এ ধারণায় করে থাকেন যে, অন্যেরা যখন গান, বাজনা ইত্যাদিকে রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করে, আমরাও তাদের মোকাবেলায় আজান, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি ভালো জিনিসকে রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করব। যাতে মোবাইল ফোনের রিংটোনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও গান-বাদ্যের পরিমাণ হ্রাস পায়!
এসব লোকের নিয়ত ভালো। এমন সুন্দর নিয়তের
কারণে তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু যেহেতু বেশ কয়েকটি কারণে শরয়ি
দৃষ্টিকোণ থেকে রিংটোন হিসেবে এগুলোর ব্যবহার জায়েয নেই তাই এসব থেকে
অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নিম্নে আজান ইত্যাদি রিংটোন হিসেবে ব্যবহার নাজায়েয
হওয়ার কারণগুলো তুলে ধরা হলো।
(ক) আজান আল্লাহ তা‘আলার একত্ববাদ, বড়ত্ব ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতের সাক্ষ্য সম্বলিত কিছু বাক্যের সমষ্টি যা
ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিআর বা প্রতীক। অনুরূপভাবে পবিত্র
কুরআনের আয়াত ও আল্লাহ তা‘আলার নামের জিকির যে কত মর্যাদাপূর্ণ বিষয় তাও
বলার অপেক্ষা রাখে না।
এদিকে মোবাইলে রিং আসার অর্থ হলো, আপনাকে একথা অবহিত করা যে, কেউ আপনার
সাথে কথা বলতে চায়। এখন ‘কেউ আপনার সাথে কথা বলতে চায়’ এই খবরটুকু দেওয়ার
জন্য কি মহান আল্লাহর বড়ত্ব সম্বলিত আজান ও মহামর্যাদাপূর্ণ কুরআনের আয়াত
বা জিকির ব্যবহার করা সমীচীন? এসব আওয়াজকে এই উদ্দেশ্যে ব্যবহার করাটা
পবিত্র শব্দসমূহকে অবমাননা ও অপাত্রে ব্যবহার করার শামিল নয় কি ?
কোনো বিক্রেতা যদি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার
জন্য জোরে জোরে সুবহানাল্লাহ বলে কিংবা কোনো পাহারাদার যদি জোরে জোরে জিকির
করার মাধ্যমে নিজের জাগ্রত থাকার বিষয়টি লোকজনকে অবহিত করে তাহলে
ফিকাহবিদগণ একেও পবিত্র শব্দসমূহের অপব্যবহার বলে আখ্যা দিয়েছেন। এবার
আপনারাই চিন্তা করে দেখুন, এসব ক্ষেত্রে যদি জিকিরের ব্যবহার ‘পবিত্র
শব্দসমূহের অপব্যবহার’ হয়ে থাকে তাহলে ‘মোবাইলে কল এসেছে’ এ খবর দেওয়ার
জন্য কুরআন তিলাওয়াত, আজান ইত্যাদির ব্যবহার কেমন হবে?
(খ) মোবাইল নিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করার পর রিং আসলে অপবিত্র স্থানে পবিত্র
তিলাওয়াত, আজান, জিকির ইত্যাদি বেজে উঠবে। এতে এগুলোর পবিত্রতা কত
মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
(গ) রিংটোন হিসেবে কুরআন তিলাওয়াত ব্যবহার করলে অনেক সময় এমন হওয়া
স্বাভাবিক যে, কে কল করেছে তা দেখা ও কল রিসিভ করার ব্যস্ততার দরুণ
তিলাওয়াতের প্রতি ভ্রƒক্ষেপ করার সুযোগ হয় না। অথচ আদব হলো, কুরআন তিলাওয়াত
চলতে থাকলে কাজ বন্ধ করে মনোযোগ দিয়ে তিলাওয়াত শ্রবণ করা।
(ঘ) কারো মোবাইলে রিং আসলে সে যেহেতু রিসিভের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং
রিসিভ করাই তার মূল উদ্দেশ্য থাকে তাই আয়াতের যে কোনো স্থানেই তিলাওয়াত
চলতে থাকে সেদিকে খেয়াল না করে রিসিভ করে ফেলে। ফলে অনেক সময় উচ্চারিত
অংশের বিবেচনায় আয়াতের অর্থ বিকৃত হয়ে যায়। আর পবিত্র কুরআনের অর্থ বিকৃতি
যে কত বড় গুনাহের কাজ তা বলাই বাহুল্য!
মোটকথা বহু কারণেই আজান, জিকির,
তিলাওয়াত ইত্যাদিকে রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমীন।
[আল আশবাহ ওয়ান্ নাযায়ের, পৃষ্ঠা ঃ ৩৫ আল কাফী, খণ্ড ঃ ১, পৃষ্ঠা ঃ ৩৭৬
ফাতাওয়ায়ে আলমগীরি, খণ্ড ঃ ৫, পৃষ্ঠা ঃ ৩১৫ আত্ তিবইয়ান ফি আদাবি
হামালাতিল কুরআন, পৃষ্ঠা ঃ ৪৬ রদ্দুল মুহতার, খণ্ড ঃ ১, পৃষ্ঠা ঃ ৫১৮]
রিংটোন হিসেবে গান ও মিউজিক কখনোই ব্যবহার করবেন না ইসলামি শরিয়তে গানবাদ্য
করা, শুনা নাজায়েয ও হারাম। বাজনা-মিউজিক ইত্যাদি গানের সাথে শুনা কবীরা
গুনাহ। গান ছাড়া পৃথকভাবে শুনাও গুনাহ। তাই যে কোনো ধরনের গান-বাজনা,
মিউজিক টোন ইত্যাদি মোবাইলের রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করা নাজায়েয ও গুনাহের
কাজ। তাছাড়া এখানে আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, মিউজিক বা গান রিংটোন হিসেবে
ব্যবহার করলে নিজে শুনার গুনাহ তো আছেই, সেই সাথে যেখানে রিংটোন বেজে উঠে
সেখানকার আশেপাশের লোকদেরকে গান-বাদ্য শুনানোর গুনাহও হয়। তদুপরি এমন
রিংটোন মসজিদে বেজে ওঠলে মসজিদের পবিত্রতা ক্ষুন্ন হয়। অথচ অনেক ভাইকে দেখা
যায়, তারা মোবাইলের রিংটোন হিসেবে গানের টোন, মিউজিক ইত্যাদি ব্যবহার করে
থাকেন। কেউ কেউ আবার মোবাইল কোম্পানি, কম্পিউটার বা অন্য মোবাইল থেকে
পছন্দের গান, মিউজিক ইত্যাদি নিজের মোবাইলে ডাউনলোড করে তাকে রিংটোন হিসেবে
ব্যবহার করেন।
আশ্চর্যের কথা হলো, ওদের ভাবসাব দেখে মনে
হয়, এসব অন্যায় ও শরিয়ত বিরোধী কাজ করতে পেরে তারা বেশ খুশি! হায়রে
মুসলমান! তোমরা যদি এই অন্যায়ের অপকারিতা ও ক্ষতি সম্পর্কে জানতে এবং তা
নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা ভাবনা করতে তাহলে কখনো এহেন গর্হিত কাজ করতে সাহস
পেতে না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রিংটোন হিসেবে গানের টোন, মিউজিক ইত্যাদি
ব্যবহার করা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
[সূরা লোকমান, আয়াত ঃ ৬ বোখারি শরিফ , খণ্ড ঃ ২, পৃষ্ঠা ঃ ৮৩৭ তিরমিযি
শরিফ, খণ্ড ঃ ১, পৃষ্ঠা ঃ ২৪১ সুনানে ইবনে মাজাহ, পৃষ্ঠা ঃ ৩০০ আত্
তারগীব ওয়াত্ তারহীব, খণ্ড ঃ ৪, পৃষ্ঠা ঃ ১৮৪ শামী, খণ্ড ঃ ৯, পৃষ্ঠা ঃ
৫৬৬ আল গিনা ফিল ইসলাম, পৃষ্ঠা ঃ ৮৭ ফতহুল কাদীর, খণ্ড ঃ ৬, পৃষ্ঠা ঃ
৪৮২]
রিংটোন হিসেবে সালামের ব্যবহার নাজায়েয নয়
কারো মোবাইলে কল আসলে তা মোবাইলধারীকে অবহিত করার জন্য যে আওয়াজটি বেজে উঠে
তা আমাদের সবার কাছে ‘রিংটোন’ হিসেবে পরিচিত। অনেকে স্বীয় মোবাইলে সালাম
ডাউনলোড বা রেকর্ড করার পর তাকে রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করে। এরূপ করায় শরয়ি
দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো সমস্যা নেই। অর্থাৎ সালামকে রিংটোন হিসেবে ব্যবহার
করা জায়েয। কেননা সালামের দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো, সালামকে অপরের জন্য
দোয়া বা অভিবাদন হিসেবে ব্যবহার করা; আর অপরটি হলো, কারো ঘরে প্রবেশের
অনুমতি প্রার্থনার জন্য ব্যবহার করা। মোবাইলের রিংটোনও এ দ্বিতীয় প্রকারের
সাথে কিছুটা মিলে যায় বিধায় রিংটোন হিসেবে সালামের ব্যবহার নাজায়েয নয়।
[মোবাইল ফোনের শরয়ি আহকাম, পৃষ্ঠা ঃ ২৯]
বাচ্চাদের কান্না থামানোর জন্য নাজায়েয রিংটোন বাজানো মারাত্মক অন্যায়
অনেক মা-বোনকে দেখা যায় তারা বাচ্চাদের কান্না থামানোর জন্য মোবাইলে
গানের রিংটোন বাজিয়ে থাকেন। আমার ধারণা, এর মারাত্মক পরিণতি ও গুনাহের
বিষয়টি অজানা থাকার কারণেই তারা এমনটি করে থাকেন। তারা হয়তো মনে করেন,
বাচ্চাদের তো শরিয়তের বিধি-নিষেধ পালন করা জরুরি নয়! অথচ তারা জানেন না যে,
শরিয়তের হুকুম আহকাম বাচ্চাদের জন্য পালন করা জরুরি না হলেও বড়দের জন্য
এটা জায়েয নেই যে, তারা বাচ্চাদের দ্বারা শরিয়ত বিরোধী কোনো কাজ করাবেন।
যেমন, ফেকাহবিদগণ বলেছেন, বয়স্ক ব্যক্তিরা যদি ছোটদেরকে কিবলার দিকে ফিরিয়ে
প্রস্রাব করায় তাহলে এর দ্বারা বাচ্চাদের কোনো গুনাহ হবে না ঠিকই, কিন্তু
বয়স্করা অবশ্যই গুনাহগার হবেন। অনুরূপভাবে কোনো ছোট বাচ্চার ছবি উঠালে
বাচ্চাটির কোনো গুনাহ না হলেও যিনি ছবি উঠালেন তার নিশ্চয়ই গুনাহ হবে।
এমনিভাবে বাচ্চাদেরকে গানের বাজনা শুনানোর একই হুকুম। অর্থাৎ যিনি শুনাবেন
তিনি গুনাহগার হবেন।
এখানে আরেকটি লক্ষণীয় বিষয় হলো, যে গান-বাজনায় অন্তর গাফেল হয়, হৃদয়ে মুনাফেকী সৃষ্টি হয়, মন শক্ত হয়ে যায়, আল্লাহর ভয় লোপ পায় সে গান-বাজনা কী করে আমরা আমাদের কলিজার টুকরা বাচ্চাদের কান্না থামানোর জন্য ব্যবহার করছি? আমরা কি একটি বারও খেয়াল করে দেখেছি যে, এই গান-বাদ্য শুনানোর দ্বারা কোমলমতি বাচ্চাদের অন্তরে আমরা পাপ-প্রবণতার বীজ বপন করছি? অথচ আমরা ইচ্ছা করলে কান্না থামানোর জন্য অন্য কোনো পদ্ধতি যেমন পশু-পাখির টোন, রেকর্ডকৃত হামদ-নাত ইত্যাদি শুনাতে পারি।
আসলে আমাদের মধ্যে আজ পাপ ও পাপের ভয়াবহ পরিণতির উপলব্ধি অনেকাংশে কমে গেছে। যার ফলে অনেক সময় আমাদের মধ্যে এ চিন্তাটুকুও আসে না যে, আমরা যা করছি তাতে শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো পাপ নেই তো? তাতে আল্লাহ তা‘আলা নারাজ হবেন না তো? মুসলমান হিসেবে এই কাজটি আমাদের জন্য অশোভনীয় নয় তো? ইত্যাদি। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে গুনাহের মারাত্মক পরিণতি ও কঠিন শাস্তির কথা চিন্তা করে যাবতীয় গুনাহ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। [মোবাইল ফোনের শরয়ি আহকাম, পৃষ্ঠা ঃ ৫২]
Source: http://alhudaonline.com
Tuesday, February 12, 2013
সন্তান ধারণে ও সন্তান পালনে ফ্রি পরামর্শ করুন
সন্তান ধারণে ও সন্তান পালনে ফ্রি পরামর্শ করুন
সন্তান ধারণে ও সন্তান পালনে ফ্রি পরামর্শ করুন এই ফোন নং-এঃ ০৯৬১২-২২২৩৩৩ । সুপারমম হটলাইন ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন আপনার ফোনের অপেক্ষায় । ব্রাউজ করুন এই ওয়েবসাইটঃ http://www.supermombd.com
Sunday, December 30, 2012
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেশে প্রতারণা!! সবার জানা থাকা উচিত।
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেশে প্রতারণা!! সবার জানা থাকা উচিত।
মোবাইল
ফোনের মাধ্যমে দেশে প্রতারণার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভুয়া কুইজের
পর এবার লটারির মাধ্যমে পুরষ্কার জেতার কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে
নিচ্ছে জালিয়াতেরা। ‘হ্যালো! আমি গ্রামীণফোন কলসেন্টার থেকে সুমন আহমেদ
রাকিব বলছি। আপনার ব্যবহৃত নম্বরটি লটারিতে পালসার মোটরসাইকেল পেয়েছে।
আপনি মোটরসাইকেলের বদলে দুই লাখ ৬২ হাজার টাকা নিতে পারেন। তবে আজ বিকেল
পাঁচটার মধ্যেই আপনাকে ট্যাক্সসহ আনুষ্ঠানিকতা মেটাতে হবে।’
গত ৬ সেপ্টেম্বর খবরটি শুনে খুশি হন পান্থপথের বাসিন্দা মো. শামস
জুবায়ের। ০১৭৫৯-৫১৮৫০৩ নম্বর থেকে আসা ওই লটারি নিয়ে তাঁর মনে খটকা নেই।
কারণ, রাকিব নামে ওই প্রতারক তাঁর মায়ের নাম, জন্ম তারিখসহ গোপনীয় তথ্য
জানিয়েছেন। শামসকে জানানো হয়, ২০টি নম্বরে ৩৯ হাজার ২৫০ টাকা ফ্লেক্সিলোড
করতে হবে। এগুলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন হিসাবের মোবাইল ফোন নম্বর।
একই সঙ্গে পুরস্কারের অর্থ পাঠাতে মো. শামসের ব্র্যাক ব্যাংকের হিসাব
নম্বর এবং তাঁর কর শনাক্তকরণ নম্বরও জেনে নেন কথিত কলসেন্টারের রাকিব।
বেলা আড়াইটার মধ্যে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ১৮টি ফোন নম্বরে এক হাজার টাকা
করে মোট ১৮ হাজার এবং আরেকটি নম্বরে ২৫০ টাকা ফ্লেক্সি করেন শামস। এর মধ্যে
সাতটি গ্রামীণফোনের, ২০টি বাংলালিংকের, একটি এয়ারটেল এবং একটি রবির
সংযোগ। শামসের মোবাইল ফোনে খুদে বার্তায় জানানো হয়, ‘ইউর একাউন্ট হ্যাজ
বিন রিফিলড সাকসেসফুলি বাই টাকা ২৫,৫৭০। ইউর ট্রানজেকশন আইডি ইজ বিডি
৩০২২১১১২৭০৭৭৩।’ শামস ব্র্যাক ব্যাংকের হিসাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন,
সেখানে টাকা যায়নি। শামস অর্থ জমা না হওয়ার বিষয়টি রাকিবকে জানান। রাকিব
দ্রুত বাকি অর্থ পরিশোধের তাগাদা দিলে শামসের সন্দেহ হয় এবং তিনি আর টাকা
ফ্লেক্সি করেননি। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে।
পরে ঘটনাটি সাধারণ ডায়েরি করে গ্রামীণফোনে জানানো হয়। কর্তৃপক্ষ ‘লটারি
চক্রে’ ব্যবহূত গ্রামীণ ফোনের সংযোগগুলো বন্ধের আশ্বাস দেন। একইভাবে
বাংলালিংক ও রবি কর্তৃপক্ষও তাদের সংযোগ বন্ধে পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু সবগুলো
নম্বর প্রি-পেইড হওয়ায় শামসের অর্থ আর ফেরত আসেনি। মো. শামসের ব্যক্তিগত
তথ্য ওই সুমন আহমেদ কোথা থেকে পেল—এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা
যায়, কলসেন্টারগুলোতে কাজের জন্য খণ্ডকালীন লোক নিয়োগ করা হয়। এদের কেউ
কেউ কোনো তথ্য সংগ্রহ ও তার অপব্যবহার করতে পারে। বাংলালিংকের করপোরেট
অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সের প্রধান জাকিউল ইসলাম লটারি বা কোনো ধরনের
সন্দেহজনক বিষয়ে কেউ অফার দিলে তা ১২১ নম্বরে ফোন করে যাচাই করে নেওয়ার
পরামর্শ দেন।
রিচার্জের নামে প্রতারণা:
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সেলিম সামাদ জানান, তাঁর পরিবারের একটি মোবাইল ফোনে
দুই হাজার টাকার ফ্লেক্সিলোড হওয়ার খুদে বার্তা এসেছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে
ওই ফ্লেক্সিলোড সংযোগ থেকে জনৈক ব্যক্তি ফোন দিয়ে সেলিম সামাদকে অনুরোধ
করেন টাকাটা ফেরত দিতে। তা-ও আবার ‘বিকাশের’ মাধ্যমে। বিষয়টি সন্দেহজনক
মনে হওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, তাঁর
ওই পোস্ট-পেইড সংযোগে কোনো অর্থ আসেনি। এদিকে তিনি অর্থ ‘বিকাশ’ না করায়
এবং তাঁর প্রতারণা বুঝে ফেলায় ওই ব্যক্তি সেলিম সামাদকে হুমকি দিয়েছেন।
কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত মিসড কল:
বছর খানেক ধরে দেখা যাচ্ছে, +২৪৩ বা +৮৮০২৪০০ বা +০৯০৪ দিয়ে শুরু হওয়া
নম্বর থেকে মোবাইল ফোনে মিসডকল আসছে। ওই সব নম্বরে কল ব্যাক করলেই মোবাইল
ফোনের অর্থ শেষ। মোবাইল ফোন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলোর কোনোটা বিদেশে বসে
করা হয়, কোনোটা বাংলাদেশে বসে কম্পিউটারের মাধ্যমে কল করা হয়। একে ‘সিম
ক্লোনিং’ বলা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ছানোয়ার হোসেন জানান,
সিম ক্লোন ছাড়াও একটি বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের তথ্য ও
অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এমন ঘটনা ঘটেছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের এমবিএ
ছাত্র হাসান এর ক্ষেত্রেও। তিনি ফোন পান এয়ারটেল কাস্টমার কেয়ার থেকে।
ফোনের ব্যাক্তিটি তাকে ওয়ারিদ থেকে এয়ারটেল হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করেন এবং
এয়ারটেলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষ্যে একটি র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে
বলে জানায়। যেখানে প্রথম সাত জনকে ৭৫ হাজার টাকা পুরষ্কার দেয়া হবে। এই
ড্র-তে হাসানে মোবাইল নাম্বারটি উঠেছে বলে জানানো হয় এবং হাসান কিভাবে
টাকাটা পেতে চান – মোবাইলে না নগদে তা জানতে চাওয়া হয়। তিনি মোবাইলেই
থাকুক বলে জানালে তাকে পুরষ্কারের টাকা পাওয়ার জন্য একটি নাম্বারে
ফ্লেক্সি করতে বলে হয়। এসময় তাকে এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কাস্টোমার
কেয়ারের একজনের সাথে কথা বলানোর ব্যবস্থা করে দেয়া হবে বলে জানানো হয়।
এই সময় হাসানের মনে সন্দেহ জাগে, কিছুদিন আগে তার পাশের বাসার এক ব্যক্তি
এভাবে ২ লক্ষ হারিয়েছে বলে শুনেছিলেন তিনি। আর তাই সঙ্গে সঙ্গে লাইন কেটে
দিয়ে এয়ারটেলের কাস্টোমার কেয়ারে ফোন করেন তিনি। এয়ারটেলের গ্রাহকসেবা
তাকে ব্যাপারটা ভুয়া বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন এধরণের কোন উদ্যোগ
প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া হলে তা গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হবে।
এবং এধরণের ফোন কল পেলে টাকা দেয়ার আগে গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে ফোন করে এর
সত্যতা যাচাই করে নেয়ার পরামর্শ দেন তারা।
Source: http://www.infinityexams.com
Thursday, February 16, 2012
Mobile Phone User Tips












All Blog: All Travel Way, Recipe BD, All Health BD, Dhaka All, Bangla Poetry, Bird sanctuary bd, Wallpaper All Free, Free Treatment Bd etc.
Thursday, July 14, 2011
কম্পিউটারের জায়গা দখল করছে মোবাইল ফোন
কম্পিউটারের জায়গা দখল করছে মোবাইল ফোন
-জিয়াউদ্দিন সাইমুম
এক দশক আগেও দেশবাসী ভাবতে পারেনি মোবাইল
ফোনই একদিন ক্যামেরার উষ্ণ জমিনটুকুর গর্বিত মালিক হয়ে যাবে। একই কায়দায়
হাতঘড়িও এখন মোবাইল প্রযুক্তির কাছে আচ্ছা করে খাবি খাচ্ছে। এর পরের পালা
কি কম্পিউটারের? টেক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মোবাইল অচিরেই এ হাইটেক
ডিভাইসটিরও ভাত মারবে। কারণ এক সময়কার রেফ্রিজারেটরের সমান আকৃতির
কম্পিউটার অর্ধশতাব্দীতে ডেস্কটপে রূপ নিয়েছে। কিন্তু মোবাইল আগ্রাসনে ওটা
এখন ল্যাপটপে পরিণত হয়ে ‘জাত’ ধরে রাখতে চাইছে। ল্যাপটপ নোটবুকের আকারে বনে
গেছে সুদৃশ্য পামটপে। কিন্তু ল্যাপটপের ফাংশন আর অনুভূতি যদি পামটপে মেলে,
তাহলে খবর আছে ল্যাপটপেরও। টেক বিশেষজ্ঞরা অন্তত এটাই ধারণা করছেন।
ওই
ডিভাইসটিকে আপনি কী বলবেন— যাতে রয়েছে একটি সুদৃশ্য স্ক্রিন, একটি পরিমিত
কিবোর্ড, কন্টাক্ট, ই-মেইল আর ডকুমেন্টের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণের
জম্পেশ স্টোরেজ, আঙুলের আলতো ছোঁয়ায় অডিও-ভিডিও ফাইল খোলার চৌকস সামর্থ্য,
গেমস আর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, রয়েছে যোগাযোগের অনন্য উপাদান। উত্তরটা
অনেকের জিভের ডগায় চলে আসায় এক নিঃশ্বাসে হয়তো কেউ কেউ বলবেন, কেন
কম্পিউটার! জনাব, হিসাবে ভুল হচ্ছে। কারণ ওটা যে মোবাইল ফোন—হালের আধুনিক।
কেউ কেউ হালের ক্রেজ স্মার্ট ফোনের অবিশ্বাস্য তেলেসমাতি দেখে মুখস্ত বলে
দিচ্ছেন, ‘আরে! এটার তো জন্মই হয়েছে ডেস্কটপ আর ল্যাপটপকে জাদুঘরে পাঠাতে।’
হ্যাঁ, বাংলাদেশের নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেভাবে দারিদ্র্যকে
জাদুঘরে পাঠাতে চান, প্রযুক্তিবিদরাও একইভাবে কম্পিউটারের জায়গা জাদুঘরে
আগেভাগে বুক করে রাখতে চাইছেন।
প্রসঙ্গটি তুলতেই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম
মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের এমডি এবং সিইও আহমেদ আবু দোমা বললেন, আমেরিকার
মতো উন্নত দেশে ৫৭ শতাংশ ইন্টারনেটের কাজ মোবাইলের মাধ্যমে চলছে। অর্থনৈতিক
ও বাস্তবতার দিক থেকে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট ছড়িয়ে
দিতে মোবাইল ফোনই সবচেয়ে বেশি কার্যকর প্রযুক্তি। আমি বিশ্বাস করি, মোবাইল
ফোন কম্পিউটারের জায়গা দখল করে নিচ্ছে।
সম্প্রতি গ্রামীণফোন ‘মোবিটাকা’
সার্ভিসের মাধ্যমে তার গ্রাহকদের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ করে
দিয়েছে। আগামীতে বাংলাদেশেও যে কোনো ধরনের টিকিট, টাকার লেনদেন, উকিল
নোটিশ মোবাইল বাটনে টিপেই সারতে পারবেন দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে, যে
কোনো সময়। মোবাইলে এসব সুবিধা মিললে কম্পিউটারের কি-বোর্ডে হামলে পড়ার
আগ্রহ থাকবে কার? অন্তত ডিজুস প্রজন্ম মোবাইল প্রযুক্তিকে রাতদিন সালাম
জানাবে।
আপাতদৃষ্টিতে পিসি আর ল্যাপটপ হটানো বেশ কঠিনই মনে হতে পারে।
কারণ ২০০৯ সালেই যে প্রযুক্তিটির বিক্রি সংখ্যা ২০ কোটি পিস ছাড়িয়ে গেছে,
যে খাতে ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার কোটি ডলারের বেশি, সেই প্রযুক্তি কি রাতারাতি
হাওয়া হয়ে যাবে? মোটেও না। তবে মোবাইল ফোন পিসির ঘণ্টা ঠিকই বাজিয়ে রেখেছে।
টেক
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, জটিল ও অত্যাধুনিক বেশকিছু কাজে পিসি আর ল্যাপটপ থেকেই
যাবে। কারণ একজন আর্কিটেক্ট যদি ডিজাইন প্রোগ্রাম চালাতে চান, তাহলে পিসিই
হবে তার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার যদি নতুন ধরনের
সার্কিটের ডিজাইন তৈরি করতে চান, তাহলে তিনি পিসিকেই প্রাধান্য দেবেন।
ফিল্ম মেকার যদি ভিডিও এডিট করতে চান, তাহলে পিসিই গ্রেট! কিন্তু গণমানুষের
হাতের তালুতে ঠাঁই পাওয়া মোবাইল ফোনকে চোখ রাঙানোর ক্ষমতা কম্পিউটার দিন
দিন হারিয়ে ফেলছে। বিষয়টাকে সম্ভবত এভাবেই বলা যায়—জটিল কাজে কম্পিউটার আরও
দীর্ঘ কৌলীন্য বজায় রাখবে আর মোবাইল ফোন গণমানুষের কাতারে এসে গণসঙ্গীতের
কোরাস তুলবে।
ব্যাপারটা অনুমান করতে পেরে কিছু ঘড়েল প্রযুক্তিবিদ
কম্পিউটারে ভয়েস আদান-প্রদান আরও সহজ করতে চাইছেন। ফলাফল যাই হোক না কেন,
এতে জয় কিন্তু মোবাইল ফোনেরই।
কম্পিউটারের আরও আধুনিকায়ন সম্ভব। তবে
প্রযুক্তিবিদরা একবাক্যে মানছেন, কম্পিউটারের চেয়ে মোবাইল ফোনেরই সম্ভাবনা
বেশি। কারণ কম্পিউটারের বিবর্তন হচ্ছে ধীরগতিতে। অথচ মোবাইল ফোনের বিবর্তন
কল্পনাকেও হার মানাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, মোবাইল ফোন নিজেই এখন
কম্পিউটার হয়ে উঠছে। টেক-পাগল লাখ লাখ জাপানি এখন মোবাইল ফোন ছাড়া ভিন্ন
কিছু ভাবতেই পারছেন না। কারণ ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যাকআপ সার্ভিস এখন মোবাইলে
পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞানী কেনেথ বোল্ডিংয়ের জ্ঞান-বন্দনা তত্ত্বটিকে একটু
ঘুরিয়ে বললে হয়তো এভাবে বলা যাবে, ‘মোবাইলের সম্ভাব্য শক্তি এখন অতি
দুর্দান্ত। সে আর পেছনে পড়বে না। দুধে মাখন আছে, আমাদেরই তা মন্থন করে নিতে
হবে। মোবাইলই শক্তি এবং আকাশটাই তার সীমানা।’
All Blog: All Travel Way, Recipe BD, All Health BD, Dhaka All, Bangla Poetry, Bird sanctuary bd, Wallpaper All Free, Free Treatment Bd etc.
Thursday, May 5, 2011
মোবাইলে কল ডাইভার্ট
মোবাইলে কল ডাইভার্ট
মোবাইল ফোন বন্ধ থাকলে কল ডাইভার্টের মাধ্যমে জরুরি কলগুলো অন্য নম্বরে ট্রান্সফার করা যায়। আমাদের দেশে সব মোবাইল ফোন অপারেটরেই কল ডাইভার্ট সমর্থন করে। কল ডাইভার্ট চালু করার জন্য Settings থেকে Call Settings-এ যেতে হবে। এবার Call Divert নামে একটি অপশন পাওয়া যাবে (হ্যান্ডসেট ভেদে অপশনে পার্থক্য থাকতে পারে।)। এখানে Divert all voice calls নামের অপশনটির মাধ্যমে ওই নম্বরে আসা সবগুলো কল অন্য নম্বরে ট্রান্সফার করা যাবে। এ ক্ষেত্রে যে সিমটি থেকে কল ডাইভার্ট করা হচ্ছে সেটি চালু থাকলেও সব কল ডাইভার্ট করা নম্বরটিতে ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
Divert all voice calls ক্লিক করে এবার Activate ক্লিক করুন। এবার To other number ক্লিক করে যে নম্বরটিতে কলটি ডাইভার্ট করতে চান সেটি লিখুন। আপনার সবগুলো কল এবার ওই নম্বরে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। Call Divert অপশনের Divert When Busy বাটনটির মাধ্যমে কেবল ফোন ব্যস্ত থাকা সময়ের কলগুলোই ডাইভার্ট করা যাবে। Divert If not answered বাটনটির মাধ্যমে কল ডাইভার্ট চালু করলে ফোন বাজার পরও যদি রিসিভ করা না হয়, তখন ওই কলটি ডাইভার্ট হয়ে নির্দিষ্ট নম্বরে চলে যাবে। Divert If out of reach বাটনটির মাধ্যমে ডাইভার্ট করলে যখন নেটওয়ার্ক থাকবে না বা ফোন বন্ধ থাকবে কেবল তখনই ফোন ট্রান্সফার হবে। ডাইভার্ট বাতিল করার জন্য Call Divert অপশন থেকে Diver Cancell of diverts ক্লিক করতে হবে।
মোবাইল ফোন বন্ধ থাকলে কল ডাইভার্টের মাধ্যমে জরুরি কলগুলো অন্য নম্বরে ট্রান্সফার করা যায়। আমাদের দেশে সব মোবাইল ফোন অপারেটরেই কল ডাইভার্ট সমর্থন করে। কল ডাইভার্ট চালু করার জন্য Settings থেকে Call Settings-এ যেতে হবে। এবার Call Divert নামে একটি অপশন পাওয়া যাবে (হ্যান্ডসেট ভেদে অপশনে পার্থক্য থাকতে পারে।)। এখানে Divert all voice calls নামের অপশনটির মাধ্যমে ওই নম্বরে আসা সবগুলো কল অন্য নম্বরে ট্রান্সফার করা যাবে। এ ক্ষেত্রে যে সিমটি থেকে কল ডাইভার্ট করা হচ্ছে সেটি চালু থাকলেও সব কল ডাইভার্ট করা নম্বরটিতে ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
Divert all voice calls ক্লিক করে এবার Activate ক্লিক করুন। এবার To other number ক্লিক করে যে নম্বরটিতে কলটি ডাইভার্ট করতে চান সেটি লিখুন। আপনার সবগুলো কল এবার ওই নম্বরে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। Call Divert অপশনের Divert When Busy বাটনটির মাধ্যমে কেবল ফোন ব্যস্ত থাকা সময়ের কলগুলোই ডাইভার্ট করা যাবে। Divert If not answered বাটনটির মাধ্যমে কল ডাইভার্ট চালু করলে ফোন বাজার পরও যদি রিসিভ করা না হয়, তখন ওই কলটি ডাইভার্ট হয়ে নির্দিষ্ট নম্বরে চলে যাবে। Divert If out of reach বাটনটির মাধ্যমে ডাইভার্ট করলে যখন নেটওয়ার্ক থাকবে না বা ফোন বন্ধ থাকবে কেবল তখনই ফোন ট্রান্সফার হবে। ডাইভার্ট বাতিল করার জন্য Call Divert অপশন থেকে Diver Cancell of diverts ক্লিক করতে হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)